Bagh Bandi Khela Review 2018

Bagh Bandi Khela Trailer

Bagh Bandi Khela Review

অবশেষে 16 নভেম্বর মুক্তি পেল বহু অপেক্ষিত ছবি bagh bandi khela .

এই গল্পে পরিচালক দেখিয়েছেন তিন তিনটে ডিফারেন্ট গল্প এবং 3জন সুপারস্টার, যার মধ্যে অন্যতম হলো আমাদের টলিউডের অন্যতম বড় সুপারস্টার প্রসেনজিত চ্যাটার্জী , এবং সাথে রয়েছেন  জিৎ এবং সোহম .

তিনটি গল্প এই সিনেমায় রয়েছে কিন্তু তিনটি গল্প একে অপরের সাথে কোন রকম মিল খুঁজে পাওয়া যাবে না, কিন্তু একটা কমন জিনিস রয়েছে এই গল্পে সেটা হল থ্রিলার এবং একশন.

বিশেষ করে জিতের যে পাঠ টা রয়েছে অর্থাৎআমরা বাঘ ক্যারেক্টার হিসেবে দেখেছি সেটা বিশেষ করে একশন ক্যারেক্টার.

Bagh Bandi Khela Story & Characters

এবার তাহলে মুভিটার সম্পর্কে আরো বিস্তারিত আলোচনা এবার আমরা করব প্রথমেই এখানে দেখানো হয়েছে বাঘের ক্যারেক্টার অর্থাৎ জিৎ যেটা প্লে করছে যেমন একটা একশন মুভি তে দেখানো হয় যে পুরোটা অ্যাকশন বেশ তেমনই,

কিন্তু জিতের অংশটা অ্যাকশনে ভরিয়ে দিয়েছেন ডিরেক্টর খুবসুন্দর ভাবে যা জিতের ক্যারেক্টার টা তে অনেকটা প্রতিফলিত হয়েছে.

প্রথম অংশে আমরা জিতের অ্যাকশন স্টান্ট এবং জিৎ এই গল্পে এক সিক্রেট এজেন্ট যাকে ওয়ান ম্যান আর্মি ও বলা যেতে পারে, যাকে মুখ্যমন্ত্রী একটা মিশন দিয়েছিল ব্যাংককেই লুকিয়ে থাকার কলকাতার দুর্নীতিবাদের দমন করার জন্য

এবং এই গল্পে সেটাই দেখানো হয়েছে এবং জিৎ ব্যাংককে যায় সেই মিশনটা পূরণ করার জন্য.

এবং সেই মিশনে তার সাথে যায় তার স্ত্রী এখানে স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছে সায়ন্তিকা, এখানে জিৎ ও তার স্ত্রীকে যে ভয় পায় সেটাও দেখানো হয়েছে 😀  .

Bagh Bandi Khela Action

জিৎ তার অভিনয় কে ফুটিয়ে তুলেছেন গুন্ডাদের সাথে মারপিট করে তার মিশন টা পূরণ করেন এখানে জিৎ কে ডাইরেক্টর খুব ভালোভাবেই রিপ্রেজেন্ট করেছে.

প্রথম পাট দেখানো হয়েছে জিৎকে যেখানে সে বহুতল একটা বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দিচ্ছে সেই দৃশ্যটা জিৎ অসাধারণ ভাবে ফুটিয়ে তুলেছে এবং দর্শক ওই অংশটা খুব অ্যাপ্রিশিয়েট করেছেন, জিতের এক্টিং আর জিতের একশন সিন নিয়ে কোন রকম কথা হবে না,

এবং কোনো রকম খুদ আমরা খুঁজে পাবো না কারন জিতের যে অংশটা ডাইরেক্টর দেখিয়েছে সেটাতে সুনিপুণ ভাবে নিজের পারফরম্যান্স দেখেছেন আমার যদি নিজের বক্তব্য এখানেই শেষ করি তাহলে মনে হবে যে জিৎ এর মত এত বড় সুপারস্টার কে শুধু অ্যাকশন এর মধ্যে দিয়ে কিন্তু দেখানো উচিত হয়নি.

গল্পের প্লটটাখুব একটা যে বাধাধরা ছিল তাও কিন্তু নয় কিছু কিছু দৃশ্য অহেতুক ভাবেগান গুলোকে দেখানো হয়েছে যা এই দৃশ্যগুলোতে না দেখাতে পারত.

যেমন গানের দৃশ্য গুলো ডাইরেক্ট এখানে জিতের মত খুব একটা কাজে লাগায়নি এত বড় সুপারস্টার কে কিন্তু জিৎ যতটা অংশরয়েছে তার সেই কিন্তু দৃশ্য এখুব ভালো অভিনয় করেছেন জিৎ কে ডাইরেক্ট দেখিয়েছেন সুপারক পহিসেবে কিন্তু লাস্ট সিন জিৎ যে এইভাবে মার খেলো তা একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না .

আবার কিছু কিছু অ্যাকশন সিন গুলো বাস্তবের সাথে কোন রকম মিল নেই জিতের অন্যান্য সিনেমা গুলোতে আমরা যেমন জিতের খুব ক্যাচি ডায়লগ শুনতে পাই কিন্তু এই বাঘ বন্দি খেলা সিনেমায় তেমনভাবে কোন ডায়লগ শুনতে পাওয়া যায়নি.

এখানে আমার কাছে মনে হয়েছে যিনি সংলাপ অর্থাৎ ডায়লগ রিপ্রেজেন্ট করেছেন অর্থাৎ ইন কে সলিল বিষয়টা ঠিকমতো ফুটিয়ে তুলতে পারিনি এবং বিষয়টা আরো বেশী রিয়ালিস্টিক করতে হতো.

Bagh Bandi Khela Songs

এরপর যদি আমরা bagh bandi khela গানের কথায় আসি তাহলে গানের কিন্তু খুব একটা বেশি প্রয়োজন ছিল বলে মনে হয় না যদিও শুনতে কিন্তু ভালো লেগেছিল তেমন অন্যদিকে সায়ন্তিকার ক্যারেক্টার টা ঠিকমত ফুটিয়ে তুলতে পারিনি .

এখানে সায়ন্তিকা কে দেখে মনে হয়েছে যে শুধুমাত্র সে লিপস্টিক লাগিয়ে রান্না করা ছাড়া আর গানে রোমান্সকরা ছাড়া আর কোনো ভূমিকা তার আমরা এই সিনেমায়লক্ষ্য করা যায় না .

রাইটার খুব ভালোভাবে ও কিন্তু সায়ন্তিকা কে ফুটিয়ে তোলে নি এতটা পর্যন্ত হল জিতের কারেক্টর  এবং তার পাশাপাশি সায়ন্তিকা সম্পর্কেআলোচনা করলাম.

এই গল্পে শুধুমাত্র জিৎ যেটা প্লে করেছে সেই অ্যাকশন এবং স্টান সিক্যুয়েন্স যা দর্শকদের টানটান করে রাখবে এবং বেশিরভাগ দর্শকরা পছন্দ করবেন এই দৃশ্যগুলো.

সায়ন্তিকার আমি তেমন ভাবে কোনরকম ভূমিকা পেলাম না শুধুমাত্র রোমান্স করা ছাড়া.

এবার আসি সোহম আর শ্রাবন্তীর কাছে অর্থাৎ বন্দীর গল্পের কাছে এই গল্পে সোহম আর শ্রাবন্তীর কেমিস্ট্রি কিন্তু খুব ভালো লেগেছে আমাদের .

কারণ এরা তার আগে অনেক সিনেমায় অভিনয় করেছে এরা দুইজন একসাথে এবার এই সিনেমায় তারা একটু অন্যভাবে অভিনয় করেছেন এরা দুজনে.

bagh bandi khela তে দেখানো হয়েছে এরা হাজব্যান্ড ওয়াইফ এবং হাসবেন্ড ওয়াইফ এর মধ্যে যে কোন খুনসুটি ও ঝগড়াঝাঁটি রয়েছে তা সুন্দরভাবে সোহম এবং শ্রাবন্তী রিপ্রেজেন্ট করেছে .

bagh bandi khela এখানে দেখানো হয়েছে যে একটা বিয়েবাড়িতে তারা যখন ক্যামেরায় সমস্ত কিছু বন্দি করছে অর্থাৎ সমস্ত ওয়েডিং দৃশ্য ক্যামেরায় বন্দী করছে সেই সময় সোহমের ক্যামেরায় একটা খুনের দৃশ্য উঠে আসে ব্যাস ওটা নিয়ে শুরু হয়ে গেল দৌড়াদৌড়ির দৃশ্য.

শুরু হয়ে গেল চোর পুলিশের খেলা অসৎ পুলিশ আর খুনি রাজনীতি নেতার তারা খেতে খেতে ধরা পড়ে যায় তারা ভিলেনের কাছে আর এই সিনেমায় ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ভরত কল.

কিন্তু কিছু কিছু দৃশ্য আমার যেন মনে হয়েছে যে একটু অবাস্তব দেখানো হয়েছে কারণ সিনেমা মানেই তো অবাস্তব সেটা তো বলার কিছু নেই.

এখানে পুলিশের চরিত্রে কিন্তু অভিনয় করেছেন বিশ্বনাথ কিছু কিছু চরিত্র শুধু হাস্যকৌতুক বলে মনে হয়েছে, সোহম আর শ্রাবন্তী ক্যারেক্টার এ রিয়ালিস্টিকআমরা কিন্তু খুঁজে পেলাম না এই দৃশ্যটা অর্থাৎ বন্দী দৃশ্যটা আমার লেখাটা দেখে মনে হয়েছে যে স্ক্রিপ্টের একটু গন্ডগোল হয়েছে কারণ এই তিনটে স্ক্রিপ্ট লিখেছেন একজন তিনি হলেন এন কে সলিল.

এবার আসি bagh bandi khela ক্যারেক্টার অর্থাৎ যিনি করেছেন তিনি হলেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী .

এর পাশাপাশি আমরা কেউ দেখতে পাই ঋত্বিকা হচ্ছে প্রসেনজিতের মেয়ে এর ক্যারেক্টার অভিনয় করেছে রিতিকা.

ক্যারেক্টার সম্পর্ক যদি আমরা আলোচনা করি ঋত্বিকা চরিত্রে খুব ভালো অভিনয় করেছে এবং এবং রিত্তিকের চরিত্রটির মধ্যে আমরা কোনরকম ন্যাকামি খুঁজে পাইনি.

খুব সুন্দর ভালো কিন্তু রিতিকা রিপ্রেজেন্ট করেছে তার নিজস্ব ক্যারেক্টার যা দর্শকরা দেখলেও কিন্তু সেটা প্রশংসাই করবে কারণ প্রশংসার যোগ্য অভিনয় করেছেন কিন্তু ঋত্বিকা, খুবই ভালো লেগেছে আমার ঋত্বিকা চরিত্রটা.

bagh bandi khela তে এখানে প্রসেনজিৎকে দেখানো হয়েছে একজন ক্রিমিনাল আইনজীবী হিসাবে .

প্রসেনজিৎ দেখিয়েছে যে তার কাছে কোনো আদর্শের দাম নেই তার কাছে শুধুমাত্র টাকাটাই বড়, যিনি টাকার জন্য ক্রিমিনালদের ক্রাইম থেকে বাঁচিয়ে নেয় এগুলো তার যেন বা হাতের খেলা.

এইভাবে সে দেখিয়েছে যে তিনজন রেপিস্ট কিভাবে ক্রাইম করে আইনের হাত থেকে পালিয়ে বাঁচে  . এবার একটু গন্ডগোল এসে দাঁড়ায় এই গল্পটার মধ্যে তার কারণ এই গল্পের এই তিনজনকে দেখানো হয়েছে তার মধ্যে এখানে রাজদীপ অভিনয় করেছেন একজন রেপিস্ট হিসেবে.

সেই সমস্যা কিন্তু তার পরিবারের দেখা যায় যখন তার মেয়ের বান্ধবীকে তিনজন রিপিট আবার রেপ করে এবং তার বাবা অর্থাৎ প্রসেনজিৎ যখন ছেড়ে দেয় সেই তিনজনকে সেই মেয়ে কিন্তু তার মেয়ের মনে বাবার জন্য কিন্তু রাগ বিদ্বেষ জন্মায় সে তার বাবাকে একটু একটু করে ঘৃণা করতে থাকে এবং বাবার থেকে সে তার নিজের সম্পর্কটা দূরত্ব বজায় রাখে এবং সে ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়.

আরেকটু গল্পের শেষের সাসপেন্স যা আপনারা নিজেরা দেখলেই বুঝতে পারবেন মোটামুটি আমার যদি অভিমত জানতে চান তাহলে আমি বলব আমার bagh bandi khela খুবই ভালো লেগেছে উপরন্তু জিৎ অপসন টা আমার কিন্তু বেশি ভালো লেগেছে .

তার কারণ জিৎ আমার ফেভারিট এবং প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী ও আমার ফেভারিট কিন্তু তুলনামূলকভাবে যদি বলতে পারেন তাহলে আমি বলব যে আমি সামনে রাখবো জিতের অ্যাকশন.

আমার খুবই ভালো লেগেছে এখানে জিতের আমার একটা ডায়লগ দারুন লেগেছে সেটা হলো “বাঁচলে বউয়ের আদর আর মরলে পা থেকে মাথা ঢাকা সাদা চাদর”

বলতে গেলে আমারও এক কথায় ডায়লগ টা খুবই ভালো লেগেছে এখানে ডাইরেক্টার কি আমি এপ্রিশিয়েট করব তার কারণ এই তিনটি বড় বড় সুপারস্টারকে একটা অংশে দেখানো সত্যি খুব কঠিন কাজ যা ডাইরেক্টর খুব সুনিপুণ ভাবে তুলে ধরেছেন প্রতিটি মানুষের মধ্যে তো ভুল থাকে তো ভুল ত্রুটি মাফ করে আমরা এই সিনেমা কিন্তু একবার হলেও দেখে আসা উচিত আমার মতে এটি ভালো লাগবে তোমাদের সবার.

Bagh Bondi Khela Cast

  • Cast

    BAGH BANDI KHELA

    PROSENJIT CHATTERJEE

    JEETENDRA MADNANI

    SOHAM CHAKRABORTY

    SRABANTI CHATTERJEE

    SAYANTIKA BANERJEE

    RITTIKA SEN

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top